DNS সার্ভারের আদ্যপান্ত । কিভাবে ডিএনএস সার্ভার ডোমেইন নেইম থেকে আইপি বের করে আনে

DNS সার্ভারের আদ্যপান্ত । কিভাবে ডিএনএস সার্ভার ডোমেইন নেইম থেকে আইপি বের করে আনে

আজকের আলোচনাটা হল DNS নিয়ে । মানে, কম্পিউটার নামক একটি যন্ত্রের ভেতরের একটি গল্প । সাধারণত, আমরা একজনকে চিনতে হলে নামটা মনে রাখি । মুখ চিনে রাখার সাথে নামটা মনে রাখতে পারলেই যে কোন সময় তাকে আমরা চিনতে পারি । কিন্তু একটা যন্ত্র এ ব্যাপারটা বুঝতে কি করে? যেহেতু আলোচনাটা কম্পিউটার যন্ত্রটি নিয়ে । কম্পিউটার যন্ত্রটি সংখ্যা ছাড়া কিছুই বুঝতে পারে নাহ । তাও আবার মাত্র ২টি সংখ্যা । একটা হল, ০ আরেকটা হল ১ । এটার পশ্চাৎ ইতিহাস আমি আমার আগের একটা লেখায় লিখেছিলাম । আজ আর সে বিষয়ে কথা বলবো না । মানুষ প্রোগ্রাম করে এই দুই সংখ্যা দিয়ে কম্পিউটারকে ডেসিমাল সংখ্যা, সাঙ্কেতিক চিহ্ন ও অক্ষর বুঝাতে পেরেছে । তবে সংখ্যা বা অক্ষর যদিও আমরা কম্পিউটারে ইনপুট দিই তবুও তা কম্পিউটার বাইনারিতে কনভার্ট করে পড়ে নেয় । এ নিয়ে আর কথা বলছি না । DNS বুঝাতে এর বেশি কিছুই দরকার নেই ।

আপনি গ্রামীণফোনের ইন্টারনেট প্যাক কিনে কম্পিউটারে ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন । আপনি আপনার ক্রোম ওয়েব ব্রাউজারের এড্রেসবারে লিখলেন www.facebook.com । যেহেতু আপনি জানেন যাকার্বাগের তৈরী সোস্যাল সাইটের ডোমেইন নেম হল facebook । সাইটটি লোড হওয়ার পর আপনি ফেইসবুক উপভোগ করতে লাগলেন । এখানে কিছু ঘটনা আপনার অজান্তেই ঘটে গেছে । আপনি টেরও পেলেন না। এসব অজান্তে ঘটে যাওয়া ঘটনা গুলোর মধ্যে একটি হল DNS প্রক্রিয়া বা সম্পূর্ণ রূপে Domain Name Server প্রক্রিয়া । আপনি যে ডোমেন নামটি লিখলেন FACEBOOK.COM এটাতো আপনার কম্পিউটারের ইন্টারনেট বুঝে নাহ ! কারণ, বিশ্ব ব্যাপী ব্যবহৃত ইন্টারনেট ডোমেইন হিসেবে শুধু আইপি (IP) সংখ্যাই বুঝে । তাহলে কি ভাবে ইন্টারনেট বুঝে উঠলো যে আপনি মার্ক যাকার্বাগের তৈরী ফেইসবুক ওয়েবসাইটেই ঢুকতে চাচ্ছেন ?

কিভাবে ডোমেইন নেম সার্ভার(DNS) কাজ করে?

এই সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি আপনার অজান্তে করেছে আপনার ওয়েব ব্রাউজার (ক্রোম ব্রাউজার) এবং আপনার ইন্টারনেট প্রোভাইডার (এই লেখায় গ্রামীণফোন) । আপনি যখন গুগল ক্রোমে facebook.com লিখছেন তখন আপনার ব্রাউজারের ক্যাশ মেমরি (Caches Memory) চেক করে । কারণ, ইন্টারনেট প্রটোকল (IP) যেহেতু কোন আলফাবেট বুঝে না তাই সে এই ডোমেনের ভেতরে লুকিয়ে থাকা আইপি এড্রেসটা বের করার চেষ্টা করে । এখানে ব্রাউজার ক্যাশ মেমরি বলতে কিছু মেমরি শুধু আপনার কম্পিউটারের সি ড্রাইভে জমা থাকে । যেসব ওয়েবসাইট আপনি আগে ভ্রমণ করেছেন প্রত্যেকটারি কিছু মেমরি কম্পিউটারে জমা থাকে । সেখানে চেক করে যদি পায় তবে আর কোথাও যাওয়ার প্রয়োজন পরে না। যেহেতু ব্রাউজার আইপি চিনতে পেরেছে তাই এখন ফেইসবুক ব্রাউজ করতে পারবেন । ধরুণ, আপনি ক্রোম নতুন ইন্সটল করেছেন । আপনার ব্রাউজারে কোন ক্যাশ জমা নেই ।

যখন দেখলো ব্রাউজার facebook.com নামটাকে চিনছে না তখন ব্রাউজার এই ডোমেইনটা Resolver Server বা আমরা সাধারণত একে বলি ISP (Internet Service Provider) নামে আরেকটা সার্ভারে অনুরোধ পাঠাবে । এই ISP হল আপনার ব্যবহৃত ইন্টারনেট প্রোভাইডার । এখানে আপনি গ্রামীণফোনের ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন । তো এই লেখায় ISP হল গ্রামীণফোন । ব্রাউজার ISP কে বলবে, "ভাই আমি facebook.com এর আইপি জানি না, আপনি আমাকে আইপি জানতে সহায়তা করুন ।" তখন ISP তার ক্যাশ মেমরি চেক করবে । সেখানে যদি ডোমেইনটির তথ্য থেকে থাকে তবে সে দিয়ে দিবে । ধরলাম, ISP তে সে ডোমেইনের কোন তথ্য নেই । তখন, ISP আবার ROOT SERVER নামের আরেকটি সার্ভারকে অনুরুধ করবে । 

ROOT SERVER হল এমন একটি সার্ভার যেখানে পৃথিবীর ডোমেন নেমগুলোকে শ্রেণীবিন্যাস করে রাখা হয় । এটি পৃথিবীর মোট ১২টি সংগঠন এই সার্ভারটি পরিচালনা করে আর এই সংগঠনগুলোর মাধ্যমে সারা বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন প্রান্তে হয়েছে ১৩টি রুট সার্ভার । যাদের প্রত্যেকের আইপি আলাদা । নিচে সংগঠনগুলোর তালিকা দেয়া হল,


  • A VeriSign Global Registry Services
  • B University of Southern California, Information Sciences Institute
  • C Cogent Communications
  • D University of Maryland
  • E NASA Ames Research Center
  • F Internet Systems Consortium, Inc.
  • G US DoD Network Information Center
  • H US Army Research Lab
  • I Netnod
  • J VeriSign Global Registry Services
  • K RIPE NCC
  • L ICANN
  • M WIDE Project
 তারা সার্বক্ষণিক এই সার্ভারকে আপটুডেট রাখে । ধরলাম রুট সার্ভের facebook.com এর IP বের করতে পারল না । তখন ROOT SERVER এই অনুরুধকে TLD নামক আরেক সার্ভারে প্রেরণ করে । 

TLD হল Top Level Domain সার্ভার । এই সার্ভারে উচ্চ মানের ডোমেন এক্সটেনশন গুলো রেকর্ড করে রাখে । যেমন,  .com , .org, .net , .edu, .gov ইত্যাদি হল Top Level Domain এর উদাহরণ । এই সার্ভারে .com ডোমেইনের ইনফর্মেশনতো আছে কিন্তু তার আইপি এড্রেস তার কাছে স্টোর থাকে না । সে ফাইনালি আরেকটি ওয়েব সার্ভারে এই অনুরুধটি পাঠায় । এই ফাইনাল ওয়েব সার্ভারের নাম Authoritative Name Server । এ সার্ভারে সকল ডোমেইনের ইনফরমেশনআইপি স্টোরড থাকে ।

তাই TLD এর পাঠানো রিকুয়েস্টকে সে পর্যবেক্ষণ করে facebook.com (টপ লেভেল ডোমেইন) এর আইপি খুঁজে বের করে । পাওয়ার সাথে সাথে সে ISP সার্ভারে প্রেরণ করে । আইএসপি যখন facebook.com এর আইপি পেয়ে যায় সে আপনার ক্রোম ওয়েব ব্রাউজারকে দিয়ে দেয় । এখন আপনার কম্পিউটার বা মোবাইলের ক্যাশ মেমরিতে facebook.com এর আইপি জমা থাকবে যাতে করে আবার এই সম্পূর্ণ স্টেপস গুলো নতুন ভাবে করতে না লাগে । এই ভাবে ডোমেইন নেম সার্ভার বা DNS একটি ডোমেইনের লিখিত রূপ থেকে তার আইপি খুঁজে বের করে । এই সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটাই DNS ম্যানেজারের কাজ ।
আশা করি DNS বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন । আগামিতে VPN কিভাবে কাজ করে সে বিষয়ে লেখবো । আমার ব্লগ ভিজিট করার জন্য ধন্যবাদ ।

তথ্যসূত্রঃ
  1. How a DNS Server (Domain Name System) works
  2. What is a DNS Server?
  3. DNS Server Types
  4. Name Servers
  5. What is an Internet Service Provider?
  6. Root name server
  7. An introduction to the Domain Name System
  8. What is an Authoritative DNS server?

ইন্টারনেট ডাউনলোড ম্যানেজার এর অজানা সব ফিচার | IDM Grabber Project | Download Whole site in one click

ইন্টারনেট ডাউনলোড ম্যানেজার এর অজানা সব ফিচার | IDM Grabber Project | Download Whole site in one click

ইন্টারনেট ডাউনলোড ম্যানেজার হল পৃথিবীতে সবচাইতে বহুল ব্যবহৃত ফাইল ডাউনলোডিং কম্পিউটার এপ্লিকেশন। যদিও এটি কিনে ব্যবহার করতে হয় । আজকের ভিডিওতে এই IDM এর কিছু অজানা চমৎকার চমৎকার ফিচার নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ফিচার গুলো নিচে তোলে ধরা হল, 
1. (1:20) Downloads Scheduling 
2. (2:20) Automatic Download URL on Clipboard 
3. (1:20) Social Media Streaming video Download 
4. (1:20) Download Image files by IDM 
5. (1:20) Grabber Project (Download a whole site at one click) 
6. (1:20) Download all links at one click by IDM 
উপরের সকল কাজ ভিডিওতে দেখানো হয়েছে । আশা করি ভিডিওটি থেকে অনেক কিছু শিখতে পারবেন। ভিডিওটি আপনার বন্ধু বান্ধবদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না।

ফ্রীতে ফটোশপ ২০২১ ডাউনলোড করুন (Photoshop CC 2021 Download Free)

ফ্রীতে ফটোশপ ২০২১ ডাউনলোড করুন (Photoshop CC 2021 Download Free)

বর্তমান বিশ্বে যতসব ইমেজ এডিটর আছে তারমধ্যে সর্বজন গৃহীত ইমেজ এডিটর হল ফটোশপ । ১৯শে ফেব্রুয়ারি ১৯৯০ সালে প্রাথমিকভাবে এডোবি সিস্টেম ইনকোর্পোরেটেড এই ফটোশপ চালু করে । তবে এই প্রোগ্রামটি ১৯৮৭ সালে থমাস এবং জন নল নামে দুই ভাই মিলে তৈরী করে । পরে এডোবির কাদের কাছ থেকে প্রোগ্রামটি কিনে নেয় । এই ফটোশপের প্রাথমিক নাম ছিল ImagePro কিন্তু পরে দেখা গেলো এই নামটা আগেই কোন একটি কোম্পানি নিয়ে রেখেছে তাই পরে তারা এর নামকরণ করে ফটোশপ । ১৯৮৮ সালে এডোবি কোম্পানি ফটোশপের লাইসেন্স কিনে নেয় । প্রথম ফটোশপ ভার্সন ছিলো ফটোশপ ১.০ যা প্রকাশিত হয় ১৯৯০ সালের ১৯শে ফেব্রুয়ারি ।


এডোবির ৩১ বছরের সফলতায় আজকে আমি দেখাবো ফটোশপের লেটেস্ট ভার্সন এডোবি ফটোশপ সিসি ২১ ডাউনলোড প্রক্রিয়া । বেশি কিছু বলব না । আপনি যদি ট্রায়াল করে দেখতে চান তবে এডোবির অফিশিয়াল ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করে দেখে নিতে পারেন । সেখান থেকে কিনে ব্যবহার করতে পারবেন । প্রতি মাসে ২০.৯৯$ দিয়ে আপনাকে সেটা কিনে ব্যবহার করতে হবে । তবে বাঙালীরা স্বাচ্ছন্দ্য প্রীয় । কি আর বলবো আমি নিজেই অনলাইন থেকে ক্র্যাক ফাইল ব্যবহার করে ফটোশপের সম্পূর্ণ ভার্সন ব্যবহার করি । আমাদের ফটোশপ টিউটোরিয়াল পর্বে আপনাকে এই সফটওয়্যারটি ব্যবহারের প্রয়োজন পড়বে । তাই আপনি নিচের স্পেসিফিকেশন দেখে ডাউনলোড করে নিন। কিংবা আপনি অনলাইন থেকেও ডাউনলোড করে নিতে পারেন । আমি সহজে ডাউনলোড করার জন্য নিচে দুটি লিংক দিলাম । আপনি চাইলেই আপনার জন্য ফটোশপটি নামিয়ে নিতে পারেন ।

↺ | ফটোশপ বেসিক ইন্টারফেস (Photoshop Basic Interface) পরিচিত

নিচের লিংক থেকে সম্পূর্ণ ফাইলটি বিনামূল্যে ডাউনলোড করে নিন । এডোবি ফটোশপ ডাউনলোড করার জন্য আপনার পিসি/লেপটপে নিম্নের কনফিগারেশন মজুদ থাকতে হবে । আমি শুধু উন্ডোজের জন্য কনফিগারেশন দিলাম । আশা করি ম্যাক ব্যবহারকারীরা অনলাইন থেকে সফটওয়ারটির ক্র্যাক ফাইল ডাউনলোড করে নিতে পারবেন ।
স্পেশিফিকেশন  সর্বনিম্ন রিকুয়ারমেন্ট রিকমান্ডেড
ফ্রী হার্ড ডিস্ক  ৪ জিবি (৩২ বিট) ১০ জিবি (৬৪ বিট)
রেম  ৪ জিবি ৮ জিবি
উন্ডোজ  ৭  ততোর্ধ্ব
স্ক্রিন  ১০২৪ x ৭৬৪  ১২৮০ x ৮০০

বিঃদ্রঃ ক্র্যাক (Crack) জনিত পাইরেসি (Piracy) বিপিয়া টিউটোর বহণ করে না । শুধুমাত্র ব্যবহারকারীর সহজ ব্যবহার ও প্রশিক্ষণের স্বার্থে আমরা প্রকাশ করছি ।

কিভাবে একটি মনো ট্রাককে স্টেরিও ট্রাকে কনভার্ট করবেন [Convert Mono to Stereo Track]

কিভাবে একটি মনো ট্রাককে স্টেরিও ট্রাকে কনভার্ট করবেন [Convert Mono to Stereo Track]

আজকের বিষয় বস্তু , কিভাবে আপনার সিঙ্গেল চ্যানেল ট্রাককে মাল্টিপল চ্যানেলে কনভার্ট করবেন । অডিওতে দুই ধরণের চ্যানেল আছে । একটি অডিও যখন আপনি রেকর্ড করেন তখন অডিও একটি ওয়েভে বা বলা যায় একটি লেয়ারে আপনার কথাগুলো মাইক্রোফোন থেকে কম্পিউটারে ডিজিটাল ভাবে সংরক্ষণ করে । সেটা সম্পূর্ণ নির্ভর করে আপনার রেকর্ডার মাইক্রোফোনের উপর ।

মনো ট্রাকঃ আপনি যদি একটি মাইক্রোফোন দিয়ে সাউন্ড রেকর্ড করেন তবে সেটা একটি চ্যানেলে রেকর্ডগুলো সেভ করবে । এই সিঙ্গেল চ্যানেলকে মনো ট্রাক বলে ।
স্টেরিও ট্রাকঃ এক জোড়া বা ততোধিক সিঙ্গেল ট্রাককে একসাথে স্টেরিও ট্রাক বলে ।

↺ | কিভাবে অডিও নয়েজ রিমুভ করবো [How to remove noise]

কিভাবে এই কাজটি করবেন নিচের ভিডিওতে দেখুন, এই টিউটোরিয়ালে আমি অডাসিটি নামক ফ্রী অডিও এডিটিং সফটওয়্যারটি । ভিডিওতে বিস্তারিত বলা আছে ।

Active Windows 10 উন্ডোজ ১০ কিভাবে এক্টিভ করবো!

Active Windows 10 উন্ডোজ ১০ কিভাবে এক্টিভ করবো!
বর্তমানে সবচাইতে বেশি ব্যবহার হচ্ছে উইন্ডোজ এর দশম এডিশনটি । এখনো পর্যন্ত Windows 10 এক বিলিয়নের বেশি ডিভাইসে অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে কাজ করছে । অনেক নতুন নতুন উন্নত ফিচার এই অপারেটিং সিস্টেমে আনা হয়েছে । যেমন, কর্টানা, মাইক্রোসফট এজ ইত্যাদি ইত্যাদি । আজকে আলোচনা করবো কিভাবে উইন্ডোজ ১০ এক্টিভ করবেন তা নিয়ে ।

>> How to Active Windows 10 latest version!
সবচাইতে সহজ পদ্ধতি হল KMSpico সফটওয়্যারের মাধ্যমে । ডাউনলোড লিংক থেকে ছোট্ট Software টি ডাউনলোড করে নিন । তার পরে নিচের ভিডিও ফলো করুন ।
Download LINK : KMSpico.zip
ডাউনলোড করার পরে যখন Winrar বা Winzip দিয়ে ওপেন করবেন তখন একটি পাসওয়ার্ড চাইবে । তখন দিবেন,
Zip Password :12345

এটি Unzip করার আগে আপনার কম্পিউটারের এন্টিভাইরাস ডিজেবল করে রাখুন । 
↺ | কিভাবে Office 2019 (Office 365) Activate করবো (CMD Command ও KM Spico এর মাধ্যমে) !
এখন নিচের ভিডিওটি দেখে দেখে নিজে চেষ্টা করুন । আশা করি আপনার Windows 10 এক্টিভেশন আর চাইবে না। ধন্যবাদ ।


ফটোশপ সিসি ২০২০ ডাউনলোড করুন [Photoshop CC 2020 (Full Version)]

ফটোশপ সিসি ২০২০ ডাউনলোড করুন [Photoshop CC 2020 (Full Version)]
বর্তমান বিশ্বে যতসব ইমেজ এডিটর আছে তারমধ্যে সর্বজন গৃহীত ইমেজ এডিটর হল ফটোশপ । ১৯শে ফেব্রুয়ারি ১৯৯০ সালে প্রাথমিকভাবে এডোবি সিস্টেম ইনকোর্পোরেটেড এই ফটোশপ চালু করে । তবে এই প্রোগ্রামটি ১৯৮৭ সালে থমাস এবং জন নল নামে দুই ভাই মিলে তৈরী করে । পরে এডোবির কাদের কাছ থেকে প্রোগ্রামটি কিনে নেয় । এই ফটোশপের প্রাথমিক নাম ছিল ImagePro কিন্তু পরে দেখা গেলো এই নামটা আগেই কোন একটি কোম্পানি নিয়ে রেখেছে তাই পরে তারা এর নামকরণ করে ফটোশপ । ১৯৮৮ সালে এডোবি কোম্পানি ফটোশপের লাইসেন্স কিনে নেয় । প্রথম ফটোশপ ভার্সন ছিলো ফটোশপ ১.০ যা প্রকাশিত হয় ১৯৯০ সালের ১৯শে ফেব্রুয়ারি ।
এডোবির ২৯ বছরের সফলতায় আজকে আমি দেখাবো ফটোশপের লেটেস্ট ভার্সন এডোবি ফটোশপ সিসি ১৯ ডাউনলোড প্রক্রিয়া । বেশি কিছু বলব না । আপনি যদি ট্রায়াল করে দেখতে চান তবে এডোবির অফিশিয়াল ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করে দেখে নিতে পারেন । সেখান থেকে কিনে ব্যবহার করতে পারবেন । প্রতি মাসে ২০.৯৯$ দিয়ে আপনাকে সেটা কিনে ব্যবহার করতে হবে । তবে বাঙালীরা স্বাচ্ছন্দ্য প্রীয় । কি আর বলবো আমি নিজেই অনলাইন থেকে ক্র্যাক ফাইল ব্যবহার করে ফটোশপের সম্পূর্ণ ভার্সন ব্যবহার করি । আমাদের ফটোশপ টিউটোরিয়াল পর্বে আপনাকে এই সফটওয়্যারটি ব্যবহারের প্রয়োজন পড়বে । তাই আপনি নিচের স্পেসিফিকেশন দেখে ডাউনলোড করে নিন। কিংবা আপনি অনলাইন থেকেও ডাউনলোড করে নিতে পারেন । আমি সহজে ডাউনলোড করার জন্য নিচে দুটি লিংক দিলাম । আপনি চাইলেই আপনার জন্য ফটোশপটি নামিয়ে নিতে পারেন । নিচের লিংক থেকে সম্পূর্ণ ফাইলটি বিনামূল্যে ডাউনলোড করে নিন । এডোবি ফটোশপ ডাউনলোড করার জন্য আপনার পিসি/লেপটপে নিম্নের কনফিগারেশন মজুদ থাকতে হবে । আমি শুধু উন্ডোজের জন্য কনফিগারেশন দিলাম । আশা করি ম্যাক ব্যবহারকারীরা অনলাইন থেকে সফটওয়ারটির ক্র্যাক ফাইল ডাউনলোড করে নিতে পারবেন ।
আমি সহজে ডাউনলোড করার জন্য নিচে দুটি লিংক দিলাম । আপনি চাইলেই আপনার জন্য ফটোশপটি নামিয়ে নিতে পারেন ।
নিচের লিংক থেকে সম্পূর্ণ ফাইলটি বিনামূল্যে ডাউনলোড করে নিন । এডোবি ফটোশপ ডাউনলোড করার জন্য আপনার পিসি/লেপটপে নিম্নের কনফিগারেশন মজুদ থাকতে হবে । আমি শুধু উন্ডোজের জন্য কনফিগারেশন দিলাম । আশা করি ম্যাক ব্যবহারকারীরা অনলাইন থেকে সফটওয়ারটির ক্র্যাক ফাইল ডাউনলোড করে নিতে পারবেন ।
স্পেশিফিকেশন  সর্বনিম্ন রিকুয়ারমেন্ট রিকমান্ডেড
ফ্রী হার্ড ডিস্ক  ২.৬ জিবি (৩২ বিট) ৩.১ জিবি (৬৪ বিট)
রেম  ২ জিবি ৮ জিবি
উন্ডোজ  ৭  ততোর্ধ্ব
স্ক্রিন  ১০২৪ x ৭৬৪  ১২৮০ x ৮০০
বিঃদ্রঃ ক্র্যাক (Crack) জনিত পাইরেসি (Piracy) বিপিয়া টিউটোর বহণ করে না । শুধুমাত্র ব্যবহারকারীর সহজ ব্যবহার ও প্রশিক্ষণের স্বার্থে আমরা প্রকাশ করছি ।