কম্পিউটার লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
কম্পিউটার লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

DNS সার্ভারের আদ্যপান্ত । কিভাবে ডিএনএস সার্ভার ডোমেইন নেইম থেকে আইপি বের করে আনে

DNS সার্ভারের আদ্যপান্ত । কিভাবে ডিএনএস সার্ভার ডোমেইন নেইম থেকে আইপি বের করে আনে

আজকের আলোচনাটা হল DNS নিয়ে । মানে, কম্পিউটার নামক একটি যন্ত্রের ভেতরের একটি গল্প । সাধারণত, আমরা একজনকে চিনতে হলে নামটা মনে রাখি । মুখ চিনে রাখার সাথে নামটা মনে রাখতে পারলেই যে কোন সময় তাকে আমরা চিনতে পারি । কিন্তু একটা যন্ত্র এ ব্যাপারটা বুঝতে কি করে? যেহেতু আলোচনাটা কম্পিউটার যন্ত্রটি নিয়ে । কম্পিউটার যন্ত্রটি সংখ্যা ছাড়া কিছুই বুঝতে পারে নাহ । তাও আবার মাত্র ২টি সংখ্যা । একটা হল, ০ আরেকটা হল ১ । এটার পশ্চাৎ ইতিহাস আমি আমার আগের একটা লেখায় লিখেছিলাম । আজ আর সে বিষয়ে কথা বলবো না । মানুষ প্রোগ্রাম করে এই দুই সংখ্যা দিয়ে কম্পিউটারকে ডেসিমাল সংখ্যা, সাঙ্কেতিক চিহ্ন ও অক্ষর বুঝাতে পেরেছে । তবে সংখ্যা বা অক্ষর যদিও আমরা কম্পিউটারে ইনপুট দিই তবুও তা কম্পিউটার বাইনারিতে কনভার্ট করে পড়ে নেয় । এ নিয়ে আর কথা বলছি না । DNS বুঝাতে এর বেশি কিছুই দরকার নেই ।

আপনি গ্রামীণফোনের ইন্টারনেট প্যাক কিনে কম্পিউটারে ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন । আপনি আপনার ক্রোম ওয়েব ব্রাউজারের এড্রেসবারে লিখলেন www.facebook.com । যেহেতু আপনি জানেন যাকার্বাগের তৈরী সোস্যাল সাইটের ডোমেইন নেম হল facebook । সাইটটি লোড হওয়ার পর আপনি ফেইসবুক উপভোগ করতে লাগলেন । এখানে কিছু ঘটনা আপনার অজান্তেই ঘটে গেছে । আপনি টেরও পেলেন না। এসব অজান্তে ঘটে যাওয়া ঘটনা গুলোর মধ্যে একটি হল DNS প্রক্রিয়া বা সম্পূর্ণ রূপে Domain Name Server প্রক্রিয়া । আপনি যে ডোমেন নামটি লিখলেন FACEBOOK.COM এটাতো আপনার কম্পিউটারের ইন্টারনেট বুঝে নাহ ! কারণ, বিশ্ব ব্যাপী ব্যবহৃত ইন্টারনেট ডোমেইন হিসেবে শুধু আইপি (IP) সংখ্যাই বুঝে । তাহলে কি ভাবে ইন্টারনেট বুঝে উঠলো যে আপনি মার্ক যাকার্বাগের তৈরী ফেইসবুক ওয়েবসাইটেই ঢুকতে চাচ্ছেন ?

কিভাবে ডোমেইন নেম সার্ভার(DNS) কাজ করে?

এই সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি আপনার অজান্তে করেছে আপনার ওয়েব ব্রাউজার (ক্রোম ব্রাউজার) এবং আপনার ইন্টারনেট প্রোভাইডার (এই লেখায় গ্রামীণফোন) । আপনি যখন গুগল ক্রোমে facebook.com লিখছেন তখন আপনার ব্রাউজারের ক্যাশ মেমরি (Caches Memory) চেক করে । কারণ, ইন্টারনেট প্রটোকল (IP) যেহেতু কোন আলফাবেট বুঝে না তাই সে এই ডোমেনের ভেতরে লুকিয়ে থাকা আইপি এড্রেসটা বের করার চেষ্টা করে । এখানে ব্রাউজার ক্যাশ মেমরি বলতে কিছু মেমরি শুধু আপনার কম্পিউটারের সি ড্রাইভে জমা থাকে । যেসব ওয়েবসাইট আপনি আগে ভ্রমণ করেছেন প্রত্যেকটারি কিছু মেমরি কম্পিউটারে জমা থাকে । সেখানে চেক করে যদি পায় তবে আর কোথাও যাওয়ার প্রয়োজন পরে না। যেহেতু ব্রাউজার আইপি চিনতে পেরেছে তাই এখন ফেইসবুক ব্রাউজ করতে পারবেন । ধরুণ, আপনি ক্রোম নতুন ইন্সটল করেছেন । আপনার ব্রাউজারে কোন ক্যাশ জমা নেই ।

যখন দেখলো ব্রাউজার facebook.com নামটাকে চিনছে না তখন ব্রাউজার এই ডোমেইনটা Resolver Server বা আমরা সাধারণত একে বলি ISP (Internet Service Provider) নামে আরেকটা সার্ভারে অনুরোধ পাঠাবে । এই ISP হল আপনার ব্যবহৃত ইন্টারনেট প্রোভাইডার । এখানে আপনি গ্রামীণফোনের ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন । তো এই লেখায় ISP হল গ্রামীণফোন । ব্রাউজার ISP কে বলবে, "ভাই আমি facebook.com এর আইপি জানি না, আপনি আমাকে আইপি জানতে সহায়তা করুন ।" তখন ISP তার ক্যাশ মেমরি চেক করবে । সেখানে যদি ডোমেইনটির তথ্য থেকে থাকে তবে সে দিয়ে দিবে । ধরলাম, ISP তে সে ডোমেইনের কোন তথ্য নেই । তখন, ISP আবার ROOT SERVER নামের আরেকটি সার্ভারকে অনুরুধ করবে । 

ROOT SERVER হল এমন একটি সার্ভার যেখানে পৃথিবীর ডোমেন নেমগুলোকে শ্রেণীবিন্যাস করে রাখা হয় । এটি পৃথিবীর মোট ১২টি সংগঠন এই সার্ভারটি পরিচালনা করে আর এই সংগঠনগুলোর মাধ্যমে সারা বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন প্রান্তে হয়েছে ১৩টি রুট সার্ভার । যাদের প্রত্যেকের আইপি আলাদা । নিচে সংগঠনগুলোর তালিকা দেয়া হল,


  • A VeriSign Global Registry Services
  • B University of Southern California, Information Sciences Institute
  • C Cogent Communications
  • D University of Maryland
  • E NASA Ames Research Center
  • F Internet Systems Consortium, Inc.
  • G US DoD Network Information Center
  • H US Army Research Lab
  • I Netnod
  • J VeriSign Global Registry Services
  • K RIPE NCC
  • L ICANN
  • M WIDE Project
 তারা সার্বক্ষণিক এই সার্ভারকে আপটুডেট রাখে । ধরলাম রুট সার্ভের facebook.com এর IP বের করতে পারল না । তখন ROOT SERVER এই অনুরুধকে TLD নামক আরেক সার্ভারে প্রেরণ করে । 

TLD হল Top Level Domain সার্ভার । এই সার্ভারে উচ্চ মানের ডোমেন এক্সটেনশন গুলো রেকর্ড করে রাখে । যেমন,  .com , .org, .net , .edu, .gov ইত্যাদি হল Top Level Domain এর উদাহরণ । এই সার্ভারে .com ডোমেইনের ইনফর্মেশনতো আছে কিন্তু তার আইপি এড্রেস তার কাছে স্টোর থাকে না । সে ফাইনালি আরেকটি ওয়েব সার্ভারে এই অনুরুধটি পাঠায় । এই ফাইনাল ওয়েব সার্ভারের নাম Authoritative Name Server । এ সার্ভারে সকল ডোমেইনের ইনফরমেশনআইপি স্টোরড থাকে ।

তাই TLD এর পাঠানো রিকুয়েস্টকে সে পর্যবেক্ষণ করে facebook.com (টপ লেভেল ডোমেইন) এর আইপি খুঁজে বের করে । পাওয়ার সাথে সাথে সে ISP সার্ভারে প্রেরণ করে । আইএসপি যখন facebook.com এর আইপি পেয়ে যায় সে আপনার ক্রোম ওয়েব ব্রাউজারকে দিয়ে দেয় । এখন আপনার কম্পিউটার বা মোবাইলের ক্যাশ মেমরিতে facebook.com এর আইপি জমা থাকবে যাতে করে আবার এই সম্পূর্ণ স্টেপস গুলো নতুন ভাবে করতে না লাগে । এই ভাবে ডোমেইন নেম সার্ভার বা DNS একটি ডোমেইনের লিখিত রূপ থেকে তার আইপি খুঁজে বের করে । এই সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটাই DNS ম্যানেজারের কাজ ।
আশা করি DNS বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন । আগামিতে VPN কিভাবে কাজ করে সে বিষয়ে লেখবো । আমার ব্লগ ভিজিট করার জন্য ধন্যবাদ ।

তথ্যসূত্রঃ
  1. How a DNS Server (Domain Name System) works
  2. What is a DNS Server?
  3. DNS Server Types
  4. Name Servers
  5. What is an Internet Service Provider?
  6. Root name server
  7. An introduction to the Domain Name System
  8. What is an Authoritative DNS server?

ইন্টারনেট ডাউনলোড ম্যানেজার এর অজানা সব ফিচার | IDM Grabber Project | Download Whole site in one click

ইন্টারনেট ডাউনলোড ম্যানেজার এর অজানা সব ফিচার | IDM Grabber Project | Download Whole site in one click

ইন্টারনেট ডাউনলোড ম্যানেজার হল পৃথিবীতে সবচাইতে বহুল ব্যবহৃত ফাইল ডাউনলোডিং কম্পিউটার এপ্লিকেশন। যদিও এটি কিনে ব্যবহার করতে হয় । আজকের ভিডিওতে এই IDM এর কিছু অজানা চমৎকার চমৎকার ফিচার নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ফিচার গুলো নিচে তোলে ধরা হল, 
1. (1:20) Downloads Scheduling 
2. (2:20) Automatic Download URL on Clipboard 
3. (1:20) Social Media Streaming video Download 
4. (1:20) Download Image files by IDM 
5. (1:20) Grabber Project (Download a whole site at one click) 
6. (1:20) Download all links at one click by IDM 
উপরের সকল কাজ ভিডিওতে দেখানো হয়েছে । আশা করি ভিডিওটি থেকে অনেক কিছু শিখতে পারবেন। ভিডিওটি আপনার বন্ধু বান্ধবদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না।

Active Windows 10 উন্ডোজ ১০ কিভাবে এক্টিভ করবো!

Active Windows 10 উন্ডোজ ১০ কিভাবে এক্টিভ করবো!
বর্তমানে সবচাইতে বেশি ব্যবহার হচ্ছে উইন্ডোজ এর দশম এডিশনটি । এখনো পর্যন্ত Windows 10 এক বিলিয়নের বেশি ডিভাইসে অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে কাজ করছে । অনেক নতুন নতুন উন্নত ফিচার এই অপারেটিং সিস্টেমে আনা হয়েছে । যেমন, কর্টানা, মাইক্রোসফট এজ ইত্যাদি ইত্যাদি । আজকে আলোচনা করবো কিভাবে উইন্ডোজ ১০ এক্টিভ করবেন তা নিয়ে ।

>> How to Active Windows 10 latest version!
সবচাইতে সহজ পদ্ধতি হল KMSpico সফটওয়্যারের মাধ্যমে । ডাউনলোড লিংক থেকে ছোট্ট Software টি ডাউনলোড করে নিন । তার পরে নিচের ভিডিও ফলো করুন ।
Download LINK : KMSpico.zip
ডাউনলোড করার পরে যখন Winrar বা Winzip দিয়ে ওপেন করবেন তখন একটি পাসওয়ার্ড চাইবে । তখন দিবেন,
Zip Password :12345

এটি Unzip করার আগে আপনার কম্পিউটারের এন্টিভাইরাস ডিজেবল করে রাখুন । 
↺ | কিভাবে Office 2019 (Office 365) Activate করবো (CMD Command ও KM Spico এর মাধ্যমে) !
এখন নিচের ভিডিওটি দেখে দেখে নিজে চেষ্টা করুন । আশা করি আপনার Windows 10 এক্টিভেশন আর চাইবে না। ধন্যবাদ ।


ব্লগার ডোমেন নেম ট্রান্সফার পদ্ধতি (ভিডিও)

ব্লগার ডোমেন নেম ট্রান্সফার পদ্ধতি (ভিডিও)
ব্লগার (Blogger) পৃথিবীর সবচাইতে জনপ্রিয় একটি ফ্রী সাবডোমেন হোস্টিং সাইট । পৃথিবীর টেক জায়ান্ট গুগলেরি একটি শাখা এই ব্লগার । blogger.com এ গিয়ে সবাই সাবডোমেন তৈরী করতে পারে । ব্লগার এমনি একটি সেবা যেখানে আপনি চাইলে সাবডোমেন থেকে ডোমেন নেমে রিডাইরেক্ট করতে পারেন । এ কাজ করতে গিয়েই যত ঝামেলা । আজকের বিষয় হল এই ঝামেলা
থেকে কি ভাবে সহজ কিছু স্টেপসের মাধ্যমে ব্লগার সাবডোমেনকে আপনার কেনা ডোমেনে রিডাইরেক্ট করবেন ।
আমি ব্লগার সাবডোমেনকে ডোমেন নেমে ট্রান্সফার করতে কি কি লাগবে?

  • প্রথমতঃ আপনার একটি গুগল একাউন্ট লাগবে ।
  • একটি সাবডোমেন একাউন্ট লাগবে ।
  • একটি ডোমেন কিনতে হবে । (আপনার ইচ্ছামত যে কোন ডোমেন হোস্টার থেকে)
আর কিচ্ছু লাগবে না । যদি আপনি গোডেডি (GoDaddy) থেকে ডোমেন কিনে থাকেন তবে আমার ভিডিওটি আপনার জন্য আশির্বাদ স্বরূপ । কারণ, আমি ভিডিওতে গোডেডি থেকে কিনে ডোমেনকে ট্রান্সফার করতে দেখিয়েছি । তাই কথা না বাড়িয়ে ভিডিওটি মনোযোগ সহকারে দেখুন আর পজ (Pause) দিয়ে দিয়ে নিজের একাউন্টে কাজ করুন ।



↺ | একো (Echo) : রেকর্ড করা গান বা অডিওকে সুন্দর করুন (ভিডিওসহ)
যদি আপনি ভিডিওটি দেখে উপকৃত হয়ে থাকেন তবে আমাদের ইউটিউব চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে আমাদের অনুপ্রাণিত করুন । ধন্যবাদ ।

ড্যাটাবেস সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা ও মৌলিক বিষয়বস্তু

ড্যাটাবেস সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা ও মৌলিক বিষয়বস্তু
আমরা যখন কম্পিউটারে কোন গান বা ভিডিও রাখি সেখানে জমা হয়ে থাকে । আমরা হার্ড ডিস্ক থেকে মুছে  না ফেলা পর্যন্ত সে গান বা ভিডিও সেই ফোল্ডারেই পরে থাকে । ঠিক এমনটাই ঘটে মোবাইলের মেমোরিতে । ডিলেট না করা পর্যন্ত সেই গান বা ভিডিও বা ফাইলটি সেই জায়গায় পরে থাকে । মেমরির ভিতরে প্রত্যেকটি গান , ভিডিও , ছবি সব গুলোর এক একটি ড্যাটা ফাইল (Data File) । আর এই সবকিছু মেমোরিতে ধরে রাখার পদ্ধতিই হল ড্যাটাবেস (Database) । প্রযুক্তির বিশাল একটি আশির্বাদ এই ড্যাটা । ড্যাটা শব্দের অর্থ উপাত্ত । ড্যাটা আসলে একটি প্লোরাল (Plural Word) যার সিঙ্গুলার শব্দ হল ড্যাটাম (Datum) যার অর্থ উপাদান । তাহলে ড্যাটাবেসের অর্থ কি?
ড্যাটাবেস দুটি পূর্ণার্থ নিয়ে গঠিত । একটি হল ড্যাটা (Data) ও আরেকটি হল বেস (base) । ড্যাটা শব্দের অর্থ আমরা জানি আর 'বেস' মানে হল সমাবেশ

ড্যাটা ছাড়া আমরা কোন কিছুই ধরে রাখতে পারি না । কোন ফাইলই সুসজ্জিত রাখতে পারি না । তাহলে যটফট ড্যাটাবেস সম্পর্কে আবিধানিক কিছু তথ্য জেনে নিই ।

ড্যাটাবেসের সংজ্ঞাঃ কোন সিস্টেমে অনেকগুলো ড্যাটার সমাবেশকে সুসজ্জিত করে সাজানোকে সংক্ষেপে ড্যাটাবেস (Database) বলে । অর্থাৎ, অনেকগুলো ড্যাটা নিয়েই একটি ড্যাটাবেস তৈরী হয় ।

ড্যাটার প্রকারভেদঃ
ড্যাটা অনেক ধরণের হতে পারে । তার মধ্যে প্রধানত এটি তিন প্রকার । চিত্রে বিস্তারিত দেয়া হল,

ড্যাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমঃ
একটি বইয়ের থাক (Shelf) এর কথা চিন্তা করুন । আগে চিত্রটি ভালো করে দেখুন তার পর নিচের লেখা গুলো পড়ুন ।
চিত্রঃ বইয়ের থাক
থাকটিতে দুটি সারিতে ১২টা করে মোট ২৪টি বই আছে । আরও খেয়াল করুন , বইগুলো সুশৃঙ্খল সারিতে সারিবদ্ধ আছে । ২টি সারিতে (raw) ১২টি কলাম (column) আছে । কলাম গুলোর ভিতরে সুসজ্জিত করে বই রাখা যায় । এখানে বইগুলো হল উপাদান । আর থাকটি (Shelf) হল  বই রাখার থলে বা সহজে বলা যায় কন্টেইনার (Container) ।
↺ Read more | ইন্টারনেট কি (What is Internet) ?
ড্যাটাবেসের ভাষায় এই ঘটনাটি যদি বর্ণনা করি তবে বলা যায়, একটি টেবিলে ২টি সারি আছে, সারিগুলোর ভিতরে বই রাখার স্থানটিকে ফিল্ড (Database Field) বলে । আর এই টেবিলে ১২টি কলাম আছে । প্রত্যেকটি কলাম হল এট্রিবিউট (Attributes) । আমি নিশ্চিত আপনি বুঝেন নি , তাহলে নিচের টেবিলের তাকান,

প্রথমে জনপ্রিয় সব বই নিয়ে টেবিলটি সাজায় ।
টেবিল-১ঃ
সায়েন্স ফিকশান কাব্য উপন্যাস কবিতা সনেট গল্প
কেপলার ২২বি বনফুল হাজার বছর ধরে সঞ্চিতা কাকলী ঠাকুরমার ঝুলি
টুকুনজিল জুলেখা আমার বন্ধু রাসেদ সঞ্চয়িতা গীতপুষ্প বনিক মামা
অনিক লুম্বা গীতাঞ্জলী গেরিলা পাগলা দাসু রাঙাফুল ছোট্ট ছেলের দল
ট্রিনিত্রি রাশিমালা সঞ্জয়িতা মৃত্যুর আগে সুমেরু পদ্মা পাগলা মামা

দ্বিতীয় টেবিলে আমার যত্তসব প্রিয়গুলো নিয়ে টেবিল সাজায় ।
টেবিল-২ঃ
খাবারজায়গাখেলাটিভি সিরিজফলগল্প
চিকেন বিরিয়ানিশ্রীমঙ্গল বিটিআরসিফুটবলগল্প নয় সত্যিআমঠাকুরমার ঝুলি
আলু ভর্তাসুন্দরবনহকিহাতেম তাইখেঁজুরবনিক মামা
মাটন বিরিয়ানিকক্সবাজার সমুদ্র সৈকতক্রিকেটবিগব্যাগলিচুছোট্ট ছেলের দল
কাচ্চি বিরিয়ানিমাধবকুণ্ডবাস্কেটবলজমজআপেলপাগলা মামা

২টি টেবিলে ৫টি সারি ও ৬টি কলাম আছে । ড্যাটাবেসের ভাষায় এই প্রত্যেক সারিকে বলা হয়, RAW আর প্রত্যেক উলম্ব বরাবর কনটেন্ট গুলোকে বলা হয় , COLUMN । সারির প্রতিটা স্থানকে বলা হয় ফিল্ড (Filed) আর কলামের প্রতিটা স্থানকে বলা হয় এট্রিবিউট (Attributes) ।
এখন প্রশ্ন হল, সারি আর কলামের চিহ্নিত করা ফিল্ড আর এট্রিবিউট তো ঐ একটাই বুঝায় । যেমন, ১ম টেবিলের ২য় সারির তৃতীয় কলাম মানে টেবিলে "হাজার বছর ধরে" এটাকে বুঝায় । তবে এটাকে ফিল্ডও বলা হয় আবার এট্রিবিউটও বলা হয় । ব্যাপার কি?
আসলে যখন আমি ১টি সারিকে কল্পনা করবো তখন প্রত্যেকটি কনটেন্টকে বলা হয় ফিল্ড । যেমন যদি বলা হয়,
৩য় সারির ফিল্ডগুলো দেখাও তবে আপনি এরকমি দেখাবেন আশা করি !

অনিক লুম্বাগীতাঞ্জলীগেরিলাপাগলা দাসুরাঙাফুলছোট্ট ছেলের দল

সারির ভিতরে প্রত্যেকটি কন্টেন্টকে বলায় হয়, ফিল্ড । আশা করি বুঝতে পেরেছেন কোনগুলো ফিল্ড?

 আবার শুধু মাত্র যখন ১টি কলামকে কল্পনা করবো তখন এটার নাম এট্রিবিউট (Attribute) ।  আর যদি বলা হয় টেবিলের ৩য় কলামের এট্রিবিউটগুলো দেখাও তবে আপনি নিচের টেবিলটাই দেখাবেন,
উপন্যাস
হাজার বছর ধরে
আমার বন্ধু রাসেদ
গেরিলা
মৃত্যুর আগে

কলামের ভিতরে প্রত্যেকটি কন্টেন্টকে বলা হয়, এট্রিবিউট । এখন আশা করি ক্লেয়ার হয়েছেন ।
↺ Read more | এনিমেশন কি ! (What is Animation) ?
প্রাইমারি কী (Primary Key) কি?
প্রথম টেবিলে খেয়াল করুন,
টেবিলে কলামগুলো এক একটি ক্যাটাগরিতে সাজানো । অর্থাৎ, কবিতা কলামের এট্রিবিউটটা শুধু মাত্র কবিতার বই বুঝানো হয়েছে । কবিতা হল প্রাইমারি কী (Primary Key) । আর তার ভিতরে প্রত্যেকটি এট্রিবিউটই তার নিজস্য কন্টেন্ট । অর্থাৎ, মোটা করে ক্যাটাগরির যে নামগুলোকে মার্ক করা আছে সেগুলোই প্রাইমারি কি । স্বাভাবিকভাবে চিন্তা করলেও কোন একটি টেবিলের প্রত্যেকটি কলামের উপরে একটি ক্যাটাগরির নামই দেয়া সম্ভব । যেমন,

 টেবিল-১ এ,
সায়েন্স ফিকশানকাব্যউপন্যাসকবিতাসনেটগল্প

টেবিল-২ এ,
খাবারজায়গাখেলাটিভি সিরিজফলগল্প

ফরেন কী (Foreign Key) কি?
উপরের দুটি টেবিলে আবার খেয়াল করুনতো? দেখুন, ১ম টেবিলের "গল্প" প্রাইমারি কী-টি ২য় টেবিলেও বিদ্যমান । ১ম টেবিলে যেহেতু "গল্প" কলাম তৈরী করা হয়েগেছে তাই ২য় টেবিলে তা নতুন করে তৈরী করার দরকয়ার নেই । শুধু মাত্র প্রথম টেবিলের "গল্প" কলামটিকে ২য় টেবিলে এসাইন (Assign) করে দিলেইতো হল । একে বলা হয় ফরেন কী । অর্থাৎ, এই কী-টা অন্য কোন টেবিল থেকে হুবহু নেয়া ।

টেবিল -১ এ,
গল্প
ঠাকুরমার ঝুলি
বনিক মামা
ছোট্ট ছেলের দল
পাগলা মামা
টেবিল-২ এ,
গল্প
ঠাকুরমার ঝুলি
বনিক মামা
ছোট্ট ছেলের দল
পাগলা মামা

আশা করি আপনি ড্যাটাবেসের কিছু বিষয় ক্লেয়ার হয়েগেছেন । আগামি টিউনে ড্যাটাবেস নিয়ে আর থাকবে । ধন্যবাদ ।